
বশিরুল আলম,আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) থেকে:- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন ঘোষিত আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী এলাকায় বিদ্যমান সকল ধরনের প্রচারণা সামগ্রী—পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, দেয়াল লিখন, বিলবোর্ড, গেইট, তোরণ/ঘের, প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা—তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করতে হবে। ১২ ডিসেম্বর সকাল দশটার মধ্যেই এসব সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সতর্কতাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্বাচন কমিশনের এ নির্দেশনাকে সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়ে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নিজ উদ্যোগে ও নিজ খরচে তাঁর গত রাতেই সকল পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও অন্যান্য প্রচারণা সামগ্রী সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। শুধু নির্দেশ পালনই নয়—তিনি নিজেও দলীয় কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে পোস্টার নামানোর কাজে অংশ নিয়ে অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, শরীফুজ্জামান শরীফের এই উদ্যোগ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। অনেকেই বলছেন, আচরণবিধি প্রতিপালনে এটি একটি দায়িত্বশীল ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ, যা অন্য প্রার্থীদের জন্যও অনুকরণীয় হয়ে উঠবে।শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,“আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা আমার মতো প্রতিটি প্রার্থীরই মানা উচিত। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”তফসিল ঘোষণার পর আচরণবিধি বাস্তবায়নে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ ভোটাররাও এ ধরনের সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণকে স্বাগত জানিয়েছেন।
নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ বাড়লেও আইনানুগ প্রচার–প্রচারণা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের সতর্ক নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।



Discussion about this post