
মো. সাগর খান, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:- কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির অবৈধ চুল্লির ভয়াবহ দৌরাত্ম্যে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে টাঙ্গাইলে মির্জাপুর উপজেলার স্থানীয় এলাকাবাসী। দিনের পর দিন বিষাক্ত ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে বাতাস, উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল, আর শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার মানুষ। এলাকাবাসী এই অবৈধ কয়লা চুল্লী বন্ধের দাবি জানান। সরেজমিনে জানা গেছে, আজগানা ইউনিয়নে ঘাগড়াই গ্রামের আসলামের ইট ভাটার পিছনে ইয়ার উদ্দিন সিকদারের ছেলে হাসেম সিকদার ও বিল্লাল মিলে অবৈধভাবে কয়লার দুইটি অবৈধ কয়লার চুল্লী চালাচ্ছেন। এসব চুল্লিতে প্রতিদিন কয়েক মণ কয়লা উৎপাদন করা হচ্ছে, যার মূল কাঁচামাল হিসেবে নির্বিচারে কাটা হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। চুল্লি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় আশপাশের এলাকায় সবসময় ধোঁয়ার চাদরে ঢাকা থাকে। এতে করে শিশু, বৃদ্ধ ও নারীদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, চোখের জ্বালা, ত্বকের রোগসহ বিভিন্ন জটিলতা বেড়ে চলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে দিনে এই এলাকায় বসবাস করা দায় হয়ে পড়ছে। উপজেলা বনবিভাগ সুত্র জানায়, মির্জাপুর উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার ৮০০শ হেক্টর সরকারী বন ভূমি রয়েছে। বিশাল এই বন ভূমিতে গজারি, গর্জন, সেগুন, আকাশমনি, পিকরাশিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ রয়েছে। এছাড়াও সমাজিক বনায়ন কর্মসূচীর আওতায় বনাঞ্চল ও এর আশাপাশে প্রচুর বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। এব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক আজিজ গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ‘আমি শীঘ্রই ঘটনাস্থলে যাব। অবৈধ কয়লার চুল্লিগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।



Discussion about this post