
মাগুরা) উপজেলা প্রতিনিধি: মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার নিভৃত পল্লীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। এলাকায় চাপা উত্তেজনা। আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা। সন্দেহভাজন দু’জন আটক। সচেতন মহল ও অভিভাবকরা শঙ্কিত। ” উদার পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে ” চাপাবার অপকৌশলে নেমেছে চিহ্নিত একটি মহল।
ঘটনার অনুসন্ধানে ও নিকটতম প্রতিবেশীরা বলছেন,
উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩৩) গতকাল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (৫ই জানুয়ারি) ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবিনা খাতুন মহম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) ও মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক ভিকটিমকে মুখে মাফলার প্যাঁচিয়ে ধরে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি’র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টির বর্ণনা করেন।
পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার মহম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে পুরো ঘটনা অবহিত করেন।
খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুজ্জামান পুলিশ ফোর্স সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীন (২২)-কে আটক করেন। আটককৃত দুই অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।
এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দু’জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত কি-না, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। মেডিকেল রিপোর্টে জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।
এদিকে এই ধর্ষণ ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই এলাকার চিহ্নিত একটি চক্র বিভিন্ন মহলে গোপনে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে।।



Discussion about this post