
নিজস্ব প্রতিবেদক:- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার মেঘনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। এ সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করেন এবং সন্ত্রাসীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেন।
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হয় এই অভিযান। এ সময় পুলিশের খোয়া যাওয়া একটি আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি ও বিপুল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়। হাতেনাতে আটক করা হয় পাঁচজনকে। এই পাঁচজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আটক পাঁচজন হলেন মোহাম্মদ স্বপন, পারভেজ, মতিন, জাকির ও রিংকু মিয়া।
সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে এ দিন যৌথ বাহিনী কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খালিয়ারচর, মধ্যারচর, কদমিরচরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। পুরো অঞ্চলের বিভিন্ন সন্দেহভাজন বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযানে পুলিশের খোয়া যাওয়া একটি চায়নিজ পিস্তল, ম্যাগাজিন, ১০ রাউন্ড গুলি, পাঁচটি শটগানের কার্তুজ, আটটি ককটেল, ৩৮৮টি রামদা, সাতটি চাপাতি, একটি বড় ছোরা, ছয়টি ছোট ছোরা, ১৩টি দা, দুটি কুড়াল, ছয়টি হকিস্টিক, টেঁটা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বড় টর্চলাইট, ইলেকট্রিক শক দেওয়ার যন্ত্র এবং নগদ ১০ লাখ ১৫ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
অভিযান শেষে উদ্ধার অস্ত্রশস্ত্র ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নিয়ে খালিয়ারচর জাহানারা বেগম উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সংবাদ সম্মেলন করেন ৪৫ এমএলআরএস রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুবায়ের। তিনি বলেন, সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে পরিচিত এই কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের আস্তানা ভেঙে দিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানে সেনাবাহিনীর ১৪০ জন ও থানা-পুলিশের ১০ জন সদস্য অংশ নেন।



Discussion about this post