
বশিরুল আলম,আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) থেকেঃ চুয়াডাঙ্গা–আলমডাঙ্গা: সীমান্তঘেঁষা কৃষিপ্রধান জনপদ চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা। সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা, বঞ্চনা ও বৈষম্যের অভিযোগে এখানকার মানুষের প্রত্যাশা জমে উঠেছে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায়। এমন প্রেক্ষাপটে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ সামনে আনছেন ‘সততার রাজনীতি’ ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় ও পথসভায় শরীফুজ্জামান শরীফ স্পষ্ট ভাষায় বলেন,“আমি বড় বড় কথা বলি না। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি সততার রাজনীতি। যে রাজনীতিতে মানুষের মর্যাদা থাকে, যেখানে ভোটের অধিকার ভিক্ষা নয়—অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি সেই সকল প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছি, যেগুলো বাস্তবায়ন করতে পারবো।” চুয়াডাঙ্গা–আলমডাঙ্গা অঞ্চলের মানুষের প্রধান সমস্যা হিসেবে কর্মসংস্থানের অভাব, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য, স্বাস্থ্যসেবার সংকট এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের প্রশ্ন বারবার উঠে আসে। শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, এই সমস্যাগুলোর সমাধানে প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, লোক দেখানো উন্নয়ন নয়। তিনি আরও বলেন, “চুয়াডাঙ্গা–আলমডাঙ্গার মানুষ সৎ নেতৃত্ব চায়। আমি এই এলাকার মানুষের জন্য সেই রাজনীতিরই প্রতিনিধি হতে চাই, যে রাজনীতি ক্ষমতার মোহে নয়—মানুষের পাশে দাঁড়ায়।” বিশেষ করে তরুণ সমাজের ভবিষ্যৎ, কৃষকদের ন্যায্য অধিকার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর সংসদে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। নির্বাচিত হলে এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আধুনিকীকরণ, উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, চুয়াডাঙ্গা–আলমডাঙ্গার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, শরীফুজ্জামান শরীফের বক্তব্য সেই জায়গায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তার কথায় রাজনৈতিক শ্লোগানের চেয়ে দায়বদ্ধতা ও বাস্তবতার প্রতিফলন বেশি বলে মনে করছেন অনেকেই। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে আসন্ন নির্বাচনে ভোটের অধিকার, সততা ও মানুষের মর্যাদার প্রশ্নে এই বিশেষ অঞ্চলের মানুষ কোন পথে হাঁটবে—সেই সিদ্ধান্তই এখন দেখার বিষয়।



Discussion about this post