
কেশবপুর প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে খুলনার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। খুলনার বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী স্ত্রী মাহমুদা সুলতানা রেশমা (৩২)।
মামলায় স্বামী রফিকুল ইসলাম ছাড়াও তার পরিবারের আরও চার সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার আরজিতে বাদী মাহমুদা সুলতানা উল্লেখ করেন, প্রভাষক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার দীর্ঘ তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে রফিকুল তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে সামাজিক চাপ ও আইনি জটিলতার আশঙ্কায় রফিকুল তাকে বিয়ে করেন।
বাদীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই রফিকুল ইসলাম তাকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন এবং বিভিন্ন সময় মানসিক নির্যাতন চালান। গত ২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে স্বামীর বাড়িতে পারিবারিক আলোচনার সময় অভিযুক্তরা বাদীর কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর আইনজীবীরা জানান, যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রভাষক মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগে স্থানীয় সচেতন মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।



Discussion about this post