সাটুরিয়ায় আঞ্চলিক সড়কে রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি বেরেছে দুর্ঘটনা

প্রকাশিত: ৫:৩২ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩, ২০২১

ই এম রানা: ৩ মার্চ ২০২১

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার আঞ্চলিক সড়কে রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি চালিত অটোরিকশা বেড়েই চলেছে। বেশির ভাগ সিএনজির রেজিস্ট্রেশন ও চালকেরই নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। এ ব্যাপারে প্রশাসনের নেই কোন নজরদারি। নজরদারির না থাকায় সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। অন্য দিকে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। এ ছাড়া ছোটখাটো দুর্ঘটনা এখানে নিত্যদিনের ঘটনা। এ আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া,গোলড়া,নয়াডিঙ্গী, দরগ্রাম,গোপালপুর,বরাইদ সাভার ও টাঙ্গাইলের নাগরপুর পাকুটিয়ায় যোগাযোগ রাস্তা সহজ হওয়ায় আগের তুলনায় সিএনজির সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু নেই কোনো সিএনজি অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন ও নম্বর প্লেট।

সরেজমিন দেখা গেছে, সাটুরিয়ার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড এলাকার প্রায় ৮২৫ টি সিএনজি আটোরিকশা চলাচল করে। বেশিরভাগ সিএনজি অটো রিকশা রেজিস্ট্রেশন ও নম্বর প্লেটবিহীন। এ স্টেশন থেকেই বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে এসব সিএনজি অটোরিকশা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব রেজিস্ট্রেশন ও নম্বর প্লেটবিহীন অটোরিকশা এ সড়কে অনেক দুর্ঘটনার কারণ। তাদের গতি বেপরোয়া। অদক্ষ চালক দিয়ে চালানো হয় এ সব সিএনজি। সম্প্রতি সাটুরিয়া গোলড়া সড়কের শিমুলতলী নামক স্থানে মোটরসাইকল ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে রেশমি আক্তার (৮) নামে শিশু নিহত ও মোঃ আকাশ মিয়া (১৪) নামে একজন আহত হয়। তারা উপজেলার রাইল‍্যা গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে ও ছেলে। জান্না নামক স্থানে একটি সিএনজি দূর্ঘটনা অজ্ঞতা নামা এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। ও কান্দাপাড়া মজিবর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটে সিএনজির দূর্ঘটনায় ফুকুরহাটি গ্রামের মোঃ সাগর আলী (৩৫) নামে এক ব‍্যক্তির নিহত হলে মাত্র ২ লাখ টাকায় ঘটনাটি মিমাংসা করা হয়। একই দিনে মজিবর রহমান (৬৯) নামে এক বৃদ্ধকে অজ্ঞত নামা এক সিএনজি চালক রাতে চাপা দিয়ে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে য়ায়। অপর দিকে সাটুরিয়া থানা (ওসি) মোঃ আশরাফুল আলম ওই রাস্তা দিয়ে রাতে মানিকগঞ্জ থেকে সাটুরিয়া থানায় আসতেছে। ঐ রাস্তায় মাঝখানে রক্তাক্ত অবস্থায় এক বৃদ্ধ পড়ে আছে দেখ তিনি তাৎক্ষণিক নিজে সরকারী গাড়ীতে করে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। এ ঘটনায় জনবান্ধব ও মমতাময়ী মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

এ ব্যাপারে একাধিক সিএনজি অটোরিকশা চালক বলেন, সিএনজি চালিয়ে আর আগের মতো আয় করা যায় না। রেজিস্ট্রেশন করতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। তাই রেজিস্ট্রেশন করিনি। এ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলেও বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয়। অপর দিকে প্রতিদিন একটি সিএনজি হতে ৩০ টাকা করে ও মাসিক ১২০ টাকা করে চাদা দিতে হয় এবং প্রতিরাতে ৬ টি সিএনজি থানায় দিতে হয়।

এ ব্যাপারে সাটুরিয়া থানা অফিসার ইনচাজ (ওসি) মোঃ আশরাফুল আলম ও পুলিশ পরিদশক(তদন্ত) মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিবের সাথে যোগায়োগ করা হলে তারা জানান, সিএনজির বিরুদ্ধে অভিযান ও চেক পোষ্ঠ পরিচালনা করে আইনের আওতায় আনা হবে।